জনগণের শতভাগ আস্হাভাজন ৩৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী

শেয়ার করুন

Read Time6 Minute, 3 Second

একটি কুচক্রী মহল ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত। জনগন তা রুখে দিবে বলে আশাবাদ বিশিষ্টজনের

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক

দুই দুইবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী ৩৮নং ওয়ার্ডে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী। স্থায়ী, অস্থায়ী, ধনী গরীব, মেহনতী গার্মেন্টস শ্রমিক মা, বোনদের প্রানপ্রিয় ও এলাকাবাসীর সুখ দুঃখের সাথী হিসেবে যার নাম সবার হৃদয়ে স্পন্দিত হয় তিনি হলেন গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী। যার মধ্যে নেই কোন স্থায়ী ও বহিরাগত ভেদাভেদ। তিনি ওয়ার্ডের সব বাসিন্দাকে তার নিজের পরিবারের সদস্য হিসাবে মনে করেন। এক যুগেও যাকে দুর্নীতি ও অনিয়মের সংস্পর্শ করতে পারেনি এখনো। অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে বর্ষিয়ান কাউন্সিলর অন্যায় দেখলে করেছেন প্রতিবাদ। বিচার কার্যে অটল ছিলেন ন্যায়পরায়নতা। নীতিতে ছিল অটল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত জননেত্রী উন্নয়নের মাতা শেখ হাসিনা উন্নয়নের ছোঁয়া শতভাগ লাগিয়েছেন  ৩৮নং ওয়ার্ডে।

স্বাধীনতার পর অবহেলিত ছিল এই ওয়ার্ড। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ৮ জন মন্ত্রী ছিল এই চট্টগ্রামে। এরপরও উন্নয়নের বিন্দু মাত্র ছোঁয়া লাগেনি এই ওয়ার্ডে। কিন্তু গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী ৩৮নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পাল্টে যায় এই ওয়ার্ডের দৃশ্যপট। ওয়ার্ডের আনাচে, কানাচে, ওলি-গলি, রাস্তাঘাট, কালভার্ট তৈরী, নালা-খাল, ড্রেসিং ও পরিস্কার করেছেন মাসে ২ বার। করেছেন মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুলের সংস্কার  উন্নয়ন। করেছেন নিজস্ব অর্থায়নে কবরস্থানের লাইটিং ও রাস্তার অলি গলিতে চসিকের লাইটিং এর ব্যবস্থা। ঘরে ঘরে দিয়েছেন ওয়াসার লাইন। নিয়মিত স্প্রে করেছেন এডিস ও ডেঙ্গু মশার। এলাকায় বন্ধ করেছেন মদ, জুয়া, সন্ত্রাস, টাউট, বাটপার ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম।

গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী নিজেই ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ৮ জন রোহিঙ্গা এনআইডি জালিয়াত চক্রের হোতাকে এবং কাউন্সিলরের জাল সই ও সিল বানিয়ে জন্ম নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট তৈরীর মূল চক্রকে থানায় সোপর্দ করেছেন। এনআইডি তৈরীর রোহিঙ্গা চক্রকে তার ওয়ার্ড মেম্বার এছাককে বাদী করে তাদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা দিয়েছেন। যার মামলা নং স্বাঃ ধারা নং ৪১৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮ এবং তার নামে জাল সার্টিফিকেট ও জন্মনিবন্ধন তৈরীর আরেক হোতাকে নিজস্ব সোর্স ও পুলিশের সহায়তায় হাতে নাতে ধরে মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ বাদী মামলা করায়। মামলা নং ধারা নং ৪২০/৪৭১/৪৬৫/৪৬৮/৩৪ দন্ডবিধি। যা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১ টি ওয়ার্ডের এই ঘটনা বিরল এবং প্রশংসিত হয়েছেন বিভিন্ন মহলে। ৩৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রকৌশলী আশ্রাফ ও ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন এলাকায় গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী যথেষ্ট উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন, জনপ্রিয়তা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড সাধারণ জনগনের সমর্থন দেখে স্বাধীনতা বিরোধী ও একটি কুচক্রী মহল হিংসাপরায়ন হয়ে বিভিন্ন ফেস বুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে যাচ্ছে। তারা কখনো তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে পারবে না। যতদিন গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আছে ততদিন জনগনের ভালবাসা থেকে তাকে দুরে রাখা যাবে না। এ ব্যাপারে গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন নির্বাচিত হলে এলাকার অবশিষ্ট অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো জনগনের ভালবাসা নিয়ে সমাপ্ত করব এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখার জন্য এলাকা থেকে মাদক, জুয়া ও জঙ্গীবাদ থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। তিনি আরো জানান চট্টগ্রামে একটি অনলাইন পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের এনআইডি করে দিই বলে ভিত্তিহীন সংবাদ ছাপিয়েছেন। তা আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমি এ ধরনের কোন কাজ করিনি ও করবও না। যদি কেউ আমার সীল স্বাক্ষর জাল করে তা করে থাকে তার দায়ভার আমি নেব কেন?

0 0
Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleppy
Sleppy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close