মাইক্রো পুরোনো হলেই রুপান্তরিত হয় এ্যাম্বুলেন্সে

শেয়ার করুন

Read Time2 Minute, 55 Second

বিশেষ প্রতিনিধি

জরুরী রোগী সেবা বহনকারী প্রায় অধিকাংশ এ্যাম্বুলেন্সগুলো এখন মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। পুরাতন মাইক্রো কিংবা হাইস গাড়ীকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে রং লাগিয়ে  অধিক লাভের আশায় এ্যাম্বুলেন্সে পরিণত করে এখানে । মো: আবুল হোসেন নামক এক ব্যক্তি আমাদের জানান, মৃত পিতাকে নিজ বাড়ি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ভাড়ার উদ্দ্যেশে জানতে চাইলে ওই এম্বুল্যান্সের চালক অধিক ভাড়া দাবী করে। জনৈক আরেক ব্যক্তি অভিযোগ এসব ফিটনেসবিহীন এ্যাম্বুলেন্সগুলোতে রীতিমতো এখন যাত্রী বহন করছে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। যা ইতিপূর্বে বিভিন্ন গনমাধ্যমেও সংবাদটির সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম এ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি নুর মুহাম্মদ নুরুকে  প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের তুমুল প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করে বলেন-এটা শুধুমাত্র আমার সংগঠন না এবং আমিই কেবলমাত্র এর উপরি পাওনা পাইনা। প্রশাসন থেকে শুরু করে উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিবর্গদেরও এর ভাগ দিতে হয়। অপরদিকে রুবেল নামক এক এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের কাছ থেকে তথ্য জানতে চাইলে আমাদের বলেন, প্রায় ৪০০টি এ্যাম্বুলেন্স রয়েছে এ চমেক হাসপাতালে তন্মধ্যে ২৫০টির ও বেশী অধিক গাড়ীগুলো কোন প্রকারের কাগজপত্রই নেই শুধু তাই নয় এ্যাম্বুলেন্সগুলোর ঠিকভাবে মেরামত করা হয়না বলেও আমাদের জানান। ফলে প্রতিনিয়তই বড় ধরনের ঝুঁকির সম্ভবনাময় পরিস্থিতি হতে পারে যেকোন মুহুর্ত্বে এমনটিই ধারনা করে বলেন চমেক হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের এক ডাক্তার। যদি এমনই হয় সেবাদানকারী এ্যাম্বুলেন্স সমিতি নামক রক্তচোসা প্রতিষ্ঠানসমূহ আর এ্যাম্বুলেন্স মালিকরা তাহলে রোগীদের ভোগান্তি হওয়াটাই স্বাভাবিক ।

0 0
Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleppy
Sleppy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close