সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০ ১২:১৭ অপরাহ্ণ

মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ষড়যন্ত্রের শিকার

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদক:  এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী বিতর্কিত সিনিয়র নেতার ছত্রছায়ায় থাকা জুয়া ও মাদক ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট হাইব্রিট কিছু নামধারী নেতাদের ষড়যন্ত্র ও চক্ষুশুলে পরিণত হয়েছে মধ্যম হালিশহর পুলিশ পাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা। মধ্যম হালিশহর ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ডের এ সমস্ত হাইব্রিট নেতাদের  মাদক ব্যবসা ও জুয়ার ঘর ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপসহ নানা অপকর্ম মধ্যম হালিশহর পুলিশ ফাড়ি বন্ধ করে দিয়ে মামলা দেওয়ায় চক্ষুশুলের মূল কারণ বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়।
সরকার দলীয় নাম ভাঙ্গিয়ে আড়ালে এই সমস্ত হাই ব্রিট নেতারা দীর্ঘদিন যাবত সরকারী ভুমি দখল, চাঁদাবাজী, মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা ও জুয়ার
ঘর বসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ধ্বংস করে দিয়েছে যুব  সমাজকে। পথে বসিয়ে দিয়েছে অনেক পরিবারকে। মধ্যম হালিশহর পুলিশ
ফাঁড়িতে এসআই নাসির উদ্দিন যোগদানের পর থেকে সাবেক ডিসি ও বর্তমান ওসি সুকান্তর নির্দেশনায় এসআই নাসির উদ্দিন তার সঙ্গীয়
ফোর্স মোর্শেদ, আনোয়ার, মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন মাদক ও জুয়া বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও জুয়াড়িদের ধরে মামলা
দিয়ে তাদের অবৈধ আস্তানাগুলো  বন্ধ করে দেওয়ার পর অপরাধীদের বিরাট একটি আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাদক ও জুয়া থেকে কিছু স্বার্থান্বেসী সুবিধাভোগকারী পুলিশ এ সমস্ত হাই ব্রিট নেতাকে গোপনে সহযোগিতা করে তাদের দিয়ে এসআই নাছির উদ্দিনকে ফাঁড়ি থেকে সরাতে পুলিশের ভাবমুর্তি নষ্ট করে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দেওয়াসহ নানা রকমের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত  রয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওয়ার্ডের এক সিনিয়র নেতা বলেন কিছু হাইব্রিট নেতা এলাকার কয়েকটি গ্রুপে  ভাগ করে দলে ক্রোন্দল সৃষ্টি করে
এলাকাভিত্তিক জুয়া ও মাদক ব্যবসা করে নিয়মিত সুবিধা ভোগ করে এবং দলের মান মর্যাদা ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছে তারা। দলের মুল কর্মকান্ডের
সাথে কোন সম্পর্ক নেই তাদের। কেন্দ্রিয় ও মহানগরের সিনিয়র নেতাদের সাথে সেলফি তোলে তা দেখিয়ে ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ডে গ্রুপ তৈরী করে
নিজ স্বার্থে মারামারিতে লিপ্ত থাকে। তারাই মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা ও জুয়া খেলার আসর বসান। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে
পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে দেয়। এসআই নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তারই একটি ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করি। অভিযোগে যে রফিকের কথা বলা হয়েছে সে একজন পরিচিত সুদী ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে মিথ্যা
মামলার ফাঁসিয়ে দেয়ার বহু নজির রয়েছে।
মাদক বিষয়ে ওসি সুকান্তকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান করোনা ভাইরাস মহামারীর পূর্বে এসআই নাসির উদ্দিন মাদক বিরোধী অভিযান করে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২টি মামলা দিয়েছে। বর্তমানে করোনার কারনে মাদক বিরোধী অভিযান সীমিত পরিসরে চললেও এলাকায় মাদক ও জুয়ার আসর নাই বললে চলে। তাই সারা দেশে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে মাদক ও জুয়া বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি থাকলেও  বর্তমানে কিছু হাইব্রিট নেতাদের কারণে তা কার্যকর করা যাচ্ছেনা এবং উল্টো পুলিশের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *