ডিসেম্বর ১, ২০২০ ৮:১৫ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রে লেবার ডে’র উইকএন্ডে মিলবে দ্বিতীয় দফা স্টিমুলাস চেক

শেয়ার করুন

বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক
যুক্তরাষ্ট্রে আগামী সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে মধ্যে অর্থাৎ লেবার ডে’র সপ্তাহান্তে দ্বিতীয় দফা স্টিমুলাস চেক পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে রাজস্ব বিভাগের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে। দ্বিতীয় দফা স্টিমুলাস চেক পাঠানো হবে কিনা তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সম্ভাবনা না থাকলেও আগস্টের শেষের দিকে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রাট দলের আইন প্রণেতারা মাঝে পুনরায় আলোচনা শুরু করবে। উক্ত আলোচনায় তারা একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছতে পারে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার থেকে শুরু হওয়া রিপাবলিকান দলের ন্যাশনাল কনভেনশন আগামী  বৃহস্পতিবারের মধ্যে শেশ হবে। সেপ্টেম্বরে নতুন কংগ্রেসনাল অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলে দ্বিতীয় দফা স্টিমুলাস নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। চেক প্রেরণের কয়েকটি সম্ভাব্য তারিখ থাকলেও একটি উদ্দীপক বিল পাসের পর আইআরএস পরেই চেকগুলি প্রেরণ করতে পারে। আগামী সেপ্টেম্বরের ৭ তারিখে মধ্যে অর্থাৎ লেবার ডে’র সপ্তাহান্তে দ্বিতীয় দফা স্টিমুলাস চেক পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে রাজস্ব বিভাগের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।
এদিকে কানেকটিকাট ও নিউ ইয়র্কের বেকারদের জন্য অতিরিক্ত ৩০০ ডলার করে প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অঙ্গরাজ্য সরকার। নিয়মিত বেকার ভাতার সঙ্গে অতিরিক্ত এ ভাতা শিগগির প্রদান করবে বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি পরিচালনা সংস্থা (ফেমা) চাকুরি হারানোদের মজুরি সহায়তা প্রদান অনুদানের জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। করোনা মহামারির কারনে উভয় রাজ্য প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ৩০০ ডলার প্রদান করবে।
রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প মহামারির কারণে চাকুরি হারানো মার্কিনীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ফেমা’র দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল থেকে ৪৪ বিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছিলেন। ফেমা অঙ্গরাজ্য সরকারদের সাথে কাজ করবে। কানেকটিকাটের অঙ্গরাজ্য সরকার নেড ল্যামন্ট এবং নিউ ইয়র্কের অঙ্গরাজ্য সরকার অ্যান্ড্রু কুওমো তাদের নিজ রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য তহবিল সরবরাহ করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে একটি পদ্ধতি বাস্তবায়ন করবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
করোনা মহামারিতে গত এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১৪ দশমিক ৭ শতাংশে। বর্তমান বেকারত্বের হার ১০ দশমিক ২। এপ্রিল মাসেই দেশটিতে চাকরি হারিয়েছেন ২ কোটির বেশি মানুষ। অর্থনীতিতে ধস নামার সাথে সাথে বেকারত্ব বৃদ্ধির এ হার ১৯৩০ সালের মহামন্দার পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *