নভেম্বর ২৫, ২০২০ ৭:৪০ অপরাহ্ণ

রেমিট্যান্স যোদ্ধা মিজানের পরিবারের করুণ আকুতি : দুতাবাস, সচেতনমহল ও দানশীল ব্যাক্তিদের সহায়তা কামনা

শেয়ার করুন

রেমিট্যান্স যোদ্ধা মিজান এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে। শিকলবন্দী হয়ে পরিবার পরিজন থেকে অনেক দূরে মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে সময় কাঠছে তার । ব্রাক্ষমাণবাড়ির ছেলে মিজান । সুখ ও শান্তির জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে যায় সে। সুস্হ শরীরে এতদিন প্রবাস জীবন কাঠিয়ে আসছিল সে। অজানা কারণে সে এখন পাগল প্রায়।

আমাদের প্রতিনিধির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মিজান ৪ বছর পূর্বে বিয়ে করে । সে নিঃসন্তান ছিলেন ।সে ইতিপূর্বে ভিসা জটিলতায় জরিমানা দেয়। অনেক পাওনাদার থেকে সে  টাকাও পায় এমনকি নিজ মালিক থেকেও । সে প্রবাস জীবনে দর্জির কাজ করত।ওখানে বোরকা সেলাই করত সে।

এর মধ্যে মিজানকে স্হানীয় পুলিশও আটক করে একবার । পাগল জেনে পুলিশও তাকে ছেড়েও  দেয়।সে কয়েকবার নিখোঁজও হয়।সারজাহে তাকে পায় তার সহপাঠিরা।তাকে নিয়ে তার সহপাঠি  তৌহিদ , জয়নাল, জসিম, সাইফুল,আরফাত,একারাম চরম দুশ্চিন্তায় আছে।সর্বশেষ তাদের রুমে শিকল বন্দী করে রেখেছে তাকে।এভাবে কতদিন রাখতে পারবে তারা ? এইজন্য সহপাঠীরা সত্যিই বেকায়দায় রয়েছে। সহপাঠিরা এই প্রতিনিধিতে তাদের এই যন্ত্রণার কথা জানান । সহপাঠিরা দেশে ফেরত পাঠাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চান কনসুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশের।সহযোগিতা চান স্হানীয় সাংবাদিক মহলেরও ।

 

এদিকে মিজান যে মালিকের দোকানে কাজ করতেন সে এখন বাংলাদেশে রয়েছে। তাঁর মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, তার কাছে ১৫০০ দেরহাম পাওনা রয়েছে মিজান।সে পাওনা টাকাসহ দেশে পাঠাতে  আরো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে আগ্রহের কথা জানান এই প্রতিনিধিকে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *