জুলাই ২৯, ২০২১ ২:৫৮ অপরাহ্ণ

ভারত-যুক্তরাজ্য সম্পর্কোন্নয়নে ‘রোডম্যাপ-২০৩০’

শেয়ার করুন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ০৪ মে, মঙ্গলবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত বৈঠকটিতে ভারত-যুক্তরাজ্যের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে ‘রোডম্যাপ-২০৩০’ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি দশকে দু দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সমৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, জলবায়ু, কর্ম এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি ঘটানোর লক্ষ্যে ‘রোডম্যাপ ২০৩০’ কর্মসূচি প্রণীত হয়েছে।

বৈঠকটিতে কোভিড সঙ্কট মোকাবেলা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পারস্পরিক স্বার্থ সংরক্ষণ সহ বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক নানাবিধ ইস্যুতে মতবিনিময় করেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

নিজেদের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিগুণ করার অঙ্গীকার করেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে ‘বর্ধিত বাণিজ্য অংশীদারিত্ব’ বা সংক্ষেপে ‘ইটিপি’ নামে একটি চুক্তি কার্যকরের ঘোষণা করেন তাঁরা। চুক্তিটি দু দেশে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার কর্ম সংস্থান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

পাশাপাশি গোটা বিশ্বে ভারতীয় প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে দু দেশ “গ্লোবাল ইন্নোভেশন পার্টনারশীপ” -শীর্ষক একটি চুক্তিতে সমঝোতায় পৌছেছে। উল্লেখ্য, গবেষণা এবং উদ্ভাবন ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার।

ভারত এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পাদিত হওয়া নতুন বাণিজ্য চুক্তিটির মাধ্যমে মাইগ্রেশন এবং কাস্টমস -উভয় ক্ষেত্রেই দেশ দুটো উপকৃত হবে এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এর সঙ্গে জড়িত কর্তাব্যক্তিরা।

বৈঠকে, কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রধানমন্ত্রী জনসনকে ভারত ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে, লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য জি-৭ এর প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জনসন।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার লন্ডনে শুরু হওয়া বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর।


শেয়ার করুন