সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ

পতেঙ্গা ট্রাফিক সার্জেন্টের কাণ্ড : টাকার জন্য গাড়ী চালককে মেরে জখম

শেয়ার করুন

 পতেঙ্গা প্রতিনিধি
নগরের পতেঙ্গা থানার কাঠগড় এলাকায় কাঠগড় বাজার চৌরাস্তায় কর্মরত ট্রাফিক সার্জেন্ট কাশেদুলের  বিরুদ্ধে সড়কে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি এবং ড্রাইভারকে গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠেছে।
কাগজপত্রের সঠিকতা না থাকলে ও গাড়ি চালকদের পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকলে বিকাশে টাকা দাবী করে অন্যথায়  ড্রাইভারের গায়ে হাত তোলা পর্যন্ত ঘটনা ঘটেছে এই কাঠঘর এলাকায়। স্থানীয়রা জানান,ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ যান ও অবৈধ ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক আটকে রাখেন রাস্তার মধ্যে। সে কারণে অনেক সময় সিমেট ক্রসিং থেকে কাঠগড় পুরো এলাকা জুড়ে ৩-৪ কিলোমিটার মহাসড়ক জুড়ে যানজট লেগেই থাকে।
এ সময় ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র চেক করার নাম করে নীরব চাঁদাবাজিতে মগ্ন থাকেন।
ফলে যানজট এর পাশাপাশি চালকরা প্রতিনিয়ত ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। ৪ মে ২০২১ তারিখে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালক সুমন মিয়া ট্রাফিক সার্জেন্ট কাসেদুলের চাঁদাবাজির শিকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ইজিবাইক চালক সুমন মিয়া পূর্ব বাংলাকে জানান, সি-বিচ থেকে কাটগড় আসার সময় সার্জেন্ট কাশেদুল ও কনষ্টেবল সিগনাল দিয়ে আমাকে আটকায়।
এ সময় গাড়ি থানায় নিয়ে যাবে বলে তিনি আমার গাড়িতে উঠেন।আমি তাকে অনেক বিনয় করে বলি, তখন সার্জেন্ট সাহেব আমাকে বলে ঠিক আছে ৩,০০০ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে ছেড়ে দেব আর না হয় গাড়ি থানায় নিয়ে যাব।
ভুক্তভোগী সুমন মিয়া টাকা দিতে নারাজ হলে সার্জেন্ট কাসেদুল ও তার সাথে  কনস্টেবল মালেক  ক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং ইজিবাইক চালক সুমন মিয়ার গায়ে হাত তোলে ও শাররীক আঘাত করে । ইজিবাইক চালক সুমন মিয়ার শরীরে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। এই বিষয়ে আমাদের প্রতিনিধিকে সার্জেণ্ট কাশেদুল বলেন বিষয়টি টিআই সরোয়ার পারভেজ জানেন। বিস্তারিত টিআই সরোয়ার পারভেজ থেকে জেনে নিন। আমরা স্যারের নির্দেশেই কাজ করি।
এ বিষয়ে টি আই সরোয়ার পারভেজের কাছে ভুক্তভোগী সুমন মিয়া বিচার চাইতে গেলে টিআই সারোয়ার পারভেজ সুমন মিয়াকে উল্টো হুমকি দিয়ে সরিয়ে দেয় বলে ভুক্তভোগী জানায়। এই
 বিষয়টি সঠিকতা জানার জন্য পূর্ব বাংলা অফিস থেকে টিআই সরোয়ার পারভেজের মোবাইলে ফোন দেয়া হলেও ফোন রিসিভ না হওয়ায় বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে ট্রাফিক বন্দর বিভাগের এসি মিজান সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি পূর্ব বাংলাকে বলেন, এটা কেমন কথা এটা তো আসলে অন্যায় চালকের গায়ে হাত তোলার অধিকার কে দিয়েছে ?
এসি মিজান  আরো বলেন, আপনারা পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে অভিযোগ করেন, অন্যায় যে করুক না কেন, অবশ্যই তার বিচার হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *