সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ১:১৭ অপরাহ্ণ

পতেঙ্গায় নিরিবিলি হোটেলটি সিলগালা হয় না কেন ?

শেয়ার করুন

নগরীর অতি গুরুত্বপূর্ণ নৌবাহিনীর সামরিক স্থাপনা   মিশাইল কমপ্লেক্স ও  জি, ই, এম  গেই এলাকায় মিনি পতিতালয়, জুয়ার আসর ও ইয়াবা বেচাকেনার আাস্থনা গড়ে উঠছে। আবাসিক হোটেল ‘নিরিবিলি’ নামে এটি পরিচয় করে পতিতালয়, জুয়ার আসর ও ইয়াবা বেচাকেনা চালাচ্ছে। স্থানীয় মসজিদের ইমাম, সাধারণ মুসল্লি ও নৌবাহিনীর সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে বেকায়দায় রয়েছে। দুলাল নামক এক তরুণ প্রকাশ্য ওসির নাম ব্যবহার করে এইটি পরিচালিত করে এখানকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে। পতেঙ্গার আগের দিক নির্দেশনামতো এটি চলত। নয়া নিযুক্ত ওসির সাথে এখনো বনিবনা হয়নি বলে জানা গেছে। তবে ক্যাশিয়ার এর মাধ্যমে ওসির কাছে উপহার পাঠাইয়েছেন বলে হোটেল পরিচালক দুলাল সবখানে বলে বেড়াচ্ছে।

জানা গেছে, পতেঙ্গা থানাধীন মিশাইল কমপ্রেক্স সন্নিকটে জি, ই, এম গেইট – এর পশ্চিমে নিরিবিলি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। নিরিবিলি আবাসিক হোটেল নামে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে খদ্দেরদের আকর্ষণ করে এখানে আনে। এই হোটেলে রাত যাপন করলে পুলিশী জামেলা হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে থাকে অপরাধীদের। ফলে ওয়ারেন্টপ্রাপ্ত অনেক দূর্ধর্ষ আসামী ও পতেঙ্গাঞ্চলের জুয়ারুরা এই হোটেলটিকে নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। ঘন্টা, দিন ও রাত হিসেবে হোটেল ‘নিরিবিলি’ ভাড়া দিয়ে থাকে। এটির মুল মালিক ভাড়াটিয়ার কাছে জিম্মি হয়ে আছে । হোটেলটি সন্ধ্যা থেকে লাইট দিয়ে বিয়ের ক্লাবের মতো সাজিয়ে রাখা হয়।

আমাদের অনুসন্ধানে দেখা গেছে , দুলাল আগে সীবীচ রোডে বরিশাল হোটেল চালাত ও মোজাফ্ফর বিল্ডিং-এ পতিতা সাপ্লাই দিতো। ফলে বেশ কিছু অপরাধীদের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে। সবাইকে সে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে থাকে। সে আমাদের পতেঙ্গা প্রতিনিধিকে বলেছে ,পুলিশের কারা কারা তার কাষ্টমার, কারা কারা তার কাছ থেকে টাকা পায়। কিছু কিছু পুলিশের কিছু আপত্তিকর ছবিও রয়েছে তার কাছে। সে দাবী করে প্রশাসনই মুলত এটি চালাই। সে বলে আমি চাইলে প্রশাসন দিয়ে আপনার বিরুদ্ধেও মামলা দিতে পারব। ১ ডজন সাংবাদিক আমার এখানে আসে টাকা নেয় আবার ফুর্তিও করে। আপনিও এখানে আসুন। আপনি ছাড়া সবাই আসে এখানে। আপনি লিখলে নতুন ওসির সাথে কথা বলে আপনাকে ফাঁসাব।

নৌবাহিনীর এক পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে , আমাদের অনেকে জানে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দায়িত্ববান লোকেরা নেবেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ার্ড কমিশনার আবদুল বারেক কোম্পানী বলেন, আমার অফিসে আসলে বিস্তারিত জানাব । আমি অসামাজিক কার্যকলাপ, মদ, জুয়া বন্ধে ১০ বার মাইকিং করেছি। ওই হোটেলের জমিদারকে  ধরিয়ে দিন। কেউ আমার নাম ব্যবহার করলে পাত্তা দেবেন না। আমি মসজিদ , মাদ্রসা  ও কলেজ করার জন্য কাজ করছি। দালাল দুলালকে পেলে আমার ছেলেরা বেধেঁ থানায় দেবে।

 


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *