সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ২:৫৮ অপরাহ্ণ

মেম্বারের দাপট দেখিয়ে জমি দখল

শেয়ার করুন

পোনা শিকারী থেকে ইয়াবার কারবার করে কোটি টাকার মালিক বনে গেছে

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও মেম্বার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আইনজীবীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি ইউনুছের বিরুদ্ধে। ইউনুছ শামলাপুর নয়াপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। ইউনুছ জনপ্রতিনিধি হয়েও রাতের আধারে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা ১৪৪ ধারা অমান্য করে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর নয়া পাড়া এলাকার মরহুম নুরুল হক কোম্পানির পুত্র এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনীর খতিয়ানভুক্ত জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, এক সময়ের সাগরের পোনা শিকারী ছিলেন ইউনুছ। ইয়াবার ছোঁয়ায় মেম্বার হয়ে অপরের জমি দখল,ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপরাধ মুলক কাজ তার নিত্য ব্যবসা হয়ে দাড়িয়েছে।

সুত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া শিলখালী মৌজার বিএস ২৮ ও ৩২ নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক অছি উদ্দীন। উক্ত অছি উদ্দীন তার প্রাপ্ত জমির আংশিক তার স্ত্রী সোনা মেহেরকে বিক্রি করে দেয়।উক্ত সোনা মেহের মারা গেলে তৎপ্রাপ্ত জমি অছি উদ্দীন গং প্রাপ্ত হয়।উক্ত বিএস ২৮,৩২ খতিয়ানের ০.৭২২৯ একর জমি অছি উদ্দীন গং এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনীর সাথে বায়নানামা করেন।পরবর্তীতে উক্ত জমি এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনীকে রেজিষ্ট্রি দিতে গড়িমসি করায় তিনি বিজ্ঞ আদালতে আশ্রয় গ্রহন করলে বিজ্ঞ আদালত সোলেসুত্রে ০.২৫৯৬ একর জমি এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনীকে রেজিঃ দেয়ার আদেশ দিলে গত ৮/১১/২০২১ ইং তারিখের ২৭৮৪ নং রেজিঃ দলিল ২৫৯৬ একর জমি রেজিষ্ট্রি দেয়।পরবর্তীতে এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনীর নামে নামজারী জমাভাগ ৩৮৩২ নং খতিয়ান সৃজিত হয়।বর্তমানে জায়গা জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার ভূমিদস্যু, মাদক মাফিয়া তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারি ইউনুছের নেতৃত্বে জমি দখলের চেষ্টা করলে এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনী গত ২৮ জুন কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এমআর ১৪০৫/২১ ইং মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অফিসার ইনচার্জ টেকনাফকে নির্দেশ প্রদান করেন। এবিষয়ে জানতে ইউনুছকে একাধিকবার কল দিলেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে এডভোকেট আয়াত উল্লাহ খোমেনী বলেন, আমার খতিয়ানভূমক্ত নিজ নামীয় জমি। ভূমিদস্যু ইউনুছের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও রাতে আধারে তার বাহিনী নিয়ে স্হাপনা নির্মাণ করে। প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন এই আইনজীবী। বাহার ছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদ বলেন, উক্ত জমিতে বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।


শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *